মূল অংশে যান
সব গাইড

বিদেশি বিনিয়োগ: ধাপগুলো যে ক্রমে হতে হয়

7 মিনিটের পড়াসর্বশেষ পর্যালোচনা ১৭ আগস্ট, ২০২৬

গতি নয়, ক্রমটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশে বিদেশি-বিনিয়োগকৃত কোম্পানির সঙ্গে জড়িত থাকে ব্যাংক, নিবন্ধক, রাজস্ব কর্তৃপক্ষ এবং কখনো বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষ। প্রত্যেকে চায় আগের ধাপে তৈরি হওয়া কিছু একটা। ক্রম উল্টে গেলে কাজ আবার করতে হবে।

সাধারণ ক্রম

১. যোগ্যতা যাচাই। এই কার্যক্রমে বিদেশি মালিকানা চলে কি, চললে কতটুকু? খরচ করার আগেই নিশ্চিত হোন। ২. নাম ছাড়পত্র। প্রস্তাবিত কোম্পানির নাম সংরক্ষণ করুন। ৩. অস্থায়ী ব্যাংক হিসাব। প্রস্তাবিত কোম্পানির নামে খোলা হয়, যাতে কোম্পানি আইনত অস্তিত্ব পাওয়ার আগেই মূলধন গ্রহণ করা যায়। ৪. বিদেশ থেকে অর্থ প্রেরণ। ওই হিসাবে বিদেশ থেকে মূলধন আসে, ব্যাংক এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট দেয়। এই অর্থ যায় ব্যাংকে, কখনোই BDoor-এ নয়। ৫. কোম্পানি গঠন। মূলধনের প্রমাণ হিসেবে এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেটসহ দাখিল। ৬. গঠন-পরবর্তী নিবন্ধন। ট্রেড লাইসেন্স, ই-টিআইএন, বিআইএন/ভ্যাট এবং প্রযোজ্য খাত-লাইসেন্স। ৭. বিনিয়োগ নিবন্ধন। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষে নিবন্ধন।

এতে যা পাওয়া যায় না

উপরের কোনোটিই অভিবাসনের সিদ্ধান্ত নয়। বাংলাদেশে থাকতে বা কাজ করতে চাইলে ভিসা এবং সাধারণত ওয়ার্ক পারমিট আলাদা আবেদন, যার নিজস্ব শর্ত ও নিজস্ব ফলাফল।

সাধারণত যেখানে ভুল হয়

  • সঠিক নামে হিসাব খোলার আগেই মূলধন পাঠানো।
  • যাচাই না করে ধরে নেওয়া যে খাতটি উন্মুক্ত।
  • কর্পোরেট শেয়ারহোল্ডারের মালিকানা-শৃঙ্খল নথিভুক্ত করা যাচ্ছে না, তা দেরিতে বোঝা।

BDoor একটি স্বাধীন ব্যবসা-গঠন ও প্রশাসনিক সহায়তা প্ল্যাটফর্ম। BDoor কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষ বা আইনি প্রতিষ্ঠান নয়। যেখানে আইনি সেবা প্রয়োজন, তা স্বাধীন আইনজীবী বা অংশীদার আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির অধীনে দেওয়া হয়। সরকারি অনুমোদন ও প্রক্রিয়াকরণের সময় নিশ্চয়তার বিষয় নয়।